ভারতে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ১০ বাংলাদেশি নারী। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফেরত আসারা হলেন- টুম্পা বেগম, সুমি খাতুন, সাবিনা বেগম, নুরবানু, হালিমা খাতুন, তন্বী আক্তার, মুন্নি আক্তার, জান্নাতি খাতুন, শিরিনা খাতুন ও সামিয়া আক্তার। তারা খুলনা, যশোর, নড়াইল, ফরিদপুর ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি সাইফুর রহমান জানান, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা পাঁচ বছর আগে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের পুনে রাজ্যে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। পরে সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের কারো দুই বছর, কারো তিন বছর সাজা দিয়ে পুনে রাজ্যের কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায়।

কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা দায়িত্ব নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভের পারমিটের মাধ্যমে শুক্রবার রাতে তারা দেশে ফেরেন।

ওসি আরও জানান, ভারত ফেরত ১০ বাংলাদেশি নারীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার যশোরের ডেপুটি ম্যানেজার মুহিত হোসেন জানান, ফেরত আসা নারীদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ তথ্য জানিয়েছেন ইনকিলাব।