আজকের পত্রিকা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশালের যুবদল মহানগর, জেলা দক্ষিণ ও জেলা উত্তর—এই তিনটি কমিটিতে গত ১০ বছরে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়নি। ফলে সাংগঠনিক স্তরে নতুন নেতৃত্ব উঠে আসার পথ বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠেছে নেতা-কর্মীদের মধ্যে।
২০১৬ সালের শেষে মহানগর যুবদল কমিটি গঠিত হয়। পরবর্তীতে নিষ্ক্রিয়তার কারণে সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীমকে ২০২৩ সালে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুনও একসময় বহিষ্কৃত হন, তবে পাঁচ বছর পর তিনি স্বপদে ফিরেন। বর্তমানে নতুন কমিটি না থাকায় মহানগর যুবদলে মাসুদ হাসান মামুনের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে। মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, ‘১০ বছর ধরে মহানগর যুবদল একই কমিটি দিয়ে চলছে। নতুন নেতৃত্ব আনা উচিত ছিল।’
জেলা দক্ষিণ যুবদলে ২০১৭ সালের এপ্রিলে পারভেজ আকন বিপ্লব সভাপতি এবং এইচ এম তসলিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পারভেজ আকন বিপ্লবের মৃত্যু után মাসুদ রেজা খান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং তসলিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ৯ বছরে কোনো নতুন কমিটি গঠন হয়নি। দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু মন্তব্য করেন, ‘এভাবে তো সংগঠন চলতে পারে না। নতুন নেতৃত্ব আসা দরকার।’ সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘অস্থিতিশীল অবস্থার কারণে নতুন কমিটি করা সম্ভব হয়নি। নতুন কমিটি গঠন দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।’
উত্তর জেলা যুবদলে ২০১৬ সালে আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান এবং সদস্যসচিব সালাউদ্দিন পিপলু জমাদ্দার নিয়ে কমিটি গঠিত হয়। ২০২০ সালে অভিযোগে কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়, পরে পিপলুকে আবার আহ্বায়ক করা হয়। বর্তমানে সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ মাসুদ বলেন, ‘২০১৬ সালে গঠিত আহ্বায়ক কমিটি ২০২১ সালে ভেঙে দেওয়া হয়। ওই বছর আবার আহ্বায়ক কমিটি গঠন হয়। পাঁচ বছর তেমন বেশি সময় নয়।’
যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল বিষয়টি স্বীকার করেন যে নতুন-পুরানের সমন্বয়ে নেতৃত্ব গঠন হতে পারে, তবে কেন্দ্রীয় নেতারা জিম্মি বলে অভিযোগকে অস্বীকার করেন। আজ মঙ্গলবার যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক-পৃথক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।







