বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আঞ্জুমান‑ই‑কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি‑ইল‑হাসান দাখিলের বাবুর্চি ফজের আলী সরদার (৭০) এবং তার নারী সহকারী সোনাবান বিবি (৬৫) শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর প্রায় ২ টার দিকে ঘটিত এক হিংসাত্মক ঘটনার শিকার হন। অজ্ঞাত এক মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি খাবার চেয়ে না পেয়ে কাঠের গুঁড়ি (চলা) নিয়ে বাবুর্চির মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে, ফলে ফজের আলী现场েই মারা যান। একই সময়ে তিনি সোনাবান বিবিকেও মারধর করেন; তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রথমে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত হন।
পুলিশ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা
গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অপরিচিত আক্রমণকারীকে আটক করে, তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। গোয়ালন্দ ঘাট থানা ওসি সফিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার ও সুরতহাল শেষে মৃতদেহকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আটক ব্যক্তির বয়স ৪৩ বছর এবং মানসিক প্রতিবন্ধী (পাগল) হিসেবে চিহ্নিত।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোক্তার হোসেন ব্যাপারী জানান, ফজের আলী প্রায় আট বছর ধরে মাদ্রাসার বাবুর্চি হিসেবে কাজ করছিলেন এবং সোনাবান বিবি কয়েক বছর ধরে তার সহকারী ছিলেন। তিনি বলেন, আক্রমণকারীকে স্থানীয় লোকজন রশি ও বাঁশের খুঁটি দিয়ে বেঁধে রাখার চেষ্টা করেছে।
অন্যান্য সূত্রে পার্থক্য
ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে একই ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, তবে সেখানে আক্রমণকারীকে ৩৫ বছর বয়সী যুবক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং নাম প্রকাশ করা হয়নি। ইনডিপেনডেন্ট টিভি অনুযায়ী ঘটনা বিকেল ৩ টায় ঘটেছে, যা বাংলা ট্রিবিউনের ২ টার সময়ের সঙ্গে ভিন্ন। উভয়ই আক্রমণকারীকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে উল্লেখ করেছে। এই পার্থক্যগুলোকে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে, মূল তথ্য বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপিত।
এই ঘটনায় মাদ্রাসার নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।







