আজকের পত্রিকা অনুযায়ী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরে বিষখালী নদীতে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৭৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। এই অভিযানটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরির নেতৃত্বে মোবাইল আদালত পরিচালনা করেছে।
মোবাইল আদালতে পাঁচজনকে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে গ্রেফতার করে শাস্তি দেয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন রাজাপুরের পালট গ্রাম থেকে মো. জাহাঙ্গীর (৩৮ বছর), মধ্য পালটের মেহেদী হাসান (২২), দক্ষিণ বড়াইয়া গ্রাম থেকে মো. বাপ্পি (১৯), মো. রাজিব (৩৫) এবং মো. হেলাল (৩৫)। জাহাঙ্গীরকে এক মাসের এবং বাকি চারজনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ টাকা বলা হয়েছে; জালগুলো অভিযান শেষে নদীর তীরে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি উল্লেখ করেছেন, “মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
বাসস এবং আলোকিত বাংলাদেশ একই সপ্তাহে চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত সমমানের অভিযানের তথ্য প্রকাশ করেছে। বাসস অনুসারে চাঁদপুরে মা ইলিশ শিকারের জন্য ৪০ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে, আর আলোকিত বাংলাদেশ উল্লেখ করেছে যে সেখানে ৩৩ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ হয়েছে এবং একই সংখ্যক (৪০) জেলেকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যগুলো আজকের পত্রিকায় উল্লেখিত ৭৫ হাজার মিটার জাল এবং পাঁচজন দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের সঙ্গে পার্থক্যপূর্ণ। উভয় মিডিয়া সূত্রই চাঁদপুরে ঘটেছে বলে উল্লেখ করেছে, যেখানে আজকের পত্রিকা ঝালকাঠি রাজাপুরের ঘটনাকে কভার করেছে।





