প্রথম আলো অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ কোটি ডলারের ব্যবসা–বাণিজ্য করে থাকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপান। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের ব্যবসা–বাণিজ্য হয়। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি বা ব্যবসা–বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র ৩২৮ কোটি ডলার। জাপান বাংলাদেশের নবম বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। জাপান থেকে গাড়ি, ইলেকট্রনিকস পণ্য, লোহা ও ইস্পাত বেশি আমদানি করা হয়।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বেড়ে ৩২৮ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। জাপান এখন বিশ্বে বাংলাদেশের নবম বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। তবে জাপানের রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান কত, সেই তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার চার দিনের সফরে জাপান গেছেন। এই সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে আরও গতি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জাপানের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭০ হাজার ৮৫০ কোটি ডলার এবং আমদানি ৭২ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার। অর্থাৎ জাপানের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। তবে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি আছে তার।
জাপানের রপ্তানির মূল খাত হচ্ছে গাড়ি ও প্রযুক্তিপণ্য। ২০২৫ সালে দেশটি যত রপ্তানি করেছে, তার ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল মোটরগাড়ি। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক সার্কিট, সেমিকন্ডাক্টর তৈরির যন্ত্রপাতি, সোনা, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও নানা ধরনের যন্ত্রপাতি রপ্তানি করে দেশটি। অন্যদিকে আমদানির বড় খাত হচ্ছে জ্বালানি ও প্রযুক্তিপণ্য।
জাপানের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালে দেশটির মোট রপ্তানির ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ গেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন, সে দেশে গেছে ১৭ শতাংশ রপ্তানি। এরপর আছে তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া ও হংকং। জাপানের আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস চীন। ২০২৫ সালে দেশটির মোট আমদানির ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ এসেছে চীন থেকে।







