ঢাকা পোস্ট অনুযায়ী, বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান শনিবার সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা‑খুলনা‑ঝিনাইদহ‑কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না এবং অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল তাদের পরিণতি এখন ভোগ করছে।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাপান সফর সম্বন্ধে তিনি জিজ্ঞেস করেন, দুই দিন আগে চার দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ফিরেছেন, কী জন্য গিয়েছিলেন এবং কী করে এসেছেন তা জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না তা জানতে চেয়েছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমাদের কোনো দলীয় বা ব্যক্তিগত দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি; এগুলো জনগণের দাবি এবং জনগণের ভোগান্তির বিষয়। লংমার্চটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি তৃতীয় লংমার্চকে জাতির প্রয়োজনে সফল করতে আহ্বান জানান।

ডা. শফিকুর রহমান সাত দফা দাবির মূল একটি দফা হিসেবে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নকে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, এই রায় না হলে বাকি ছয় দফা জন্ম নেয়। তিনি বিএনপিকে সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি জাতিকে হতাশ করেছে, ঐতিহাসিক প্রতারণা করেছে এবং গণরায়কে উপহাস করেছে। তিনি বিএনপিকে আহ্বান জানান, ৯ তারিখ সংসদ বসার আগেই ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ঘোষণা করতে।

তিনি আরও বলেন, যুবসমাজকে ছলনায় কান না দিতে এবং মুক্তিকামী দেশবাসীকে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে আহ্বান জানান। সমাবেশে এলডিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ছাত্রশিবের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইত্যাদি ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

ইনডিপেনডেন্ট টিভি ও বাংলা ট্রিবিউনও একই রকম প্রতিবেদন করেছে, যেখানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও লংমার্চের কার্যক্রমের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।