আলোকিত বাংলাদেশ অনুযায়ী, দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত নোরা ফাতেহিকে ২ নভেম্বর আদালতে সাক্ষী হিসেবে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে, ২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে অভিযোগে।
মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরকে অর্থ আত্মসাৎ (বা আর্থিক জালিয়াতি) অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে নোরা ফাতেহি তার সাথে ঘনিষ্ঠতা ও উপহার গ্রহণের অভিযোগে জড়িত।
আলোকিত বাংলাদেশ জানায়, সুকেশ চন্দ্রশেখর নোরা ফাতেহিকে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় একটি বাড়ি কেনার জন্য কয়েক কোটি রুপি দিয়েছিলেন এবং নামি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, প্রসাধনী ও বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন।
সুকেশ চন্দ্রশেখর আগস্টে লিখিত একটি চিঠিতে নোরা ফাতেহির সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ও বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন, যেখানে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশিত হয়।
বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, সুকেশ চন্দ্রশেখর কারাগারে থাকাকালীন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে আঙুর বাগান কিনে দিয়েছিলেন এবং নোরা ফাতেহির সাথে সম্পর্ক শেষ করতে উসকিয়েছিলেন।
নোরা ফাতেহি এখনও মামলার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি, তবে আগস্টে তিনি প্রকাশ্যে জানান যে তার নাম জড়ানোর ফলে তিনি হুমকির মুখে পড়েছেন এবং ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আলোকিত বাংলাদেশ জানায়, নোরা ফাতেহিকে নামি বিজ্ঞাপন সংস্থা কাজ থেকে বাদ দিয়েছে।
মামলার তৃতীয় চার্জশিটে নোরা ফাতেহির নাম সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত তাকে সাক্ষী হিসেবে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে।







