প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ও দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক

২৭ অক্টোবর, ২০২৬-এ টোকিওতে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে জাপানের সঙ্গে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা আলোচনা করেন, প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের মতে, বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্ভাবনা

জাপানের বেসরকারি খাত আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় ৬.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে, যা প্রায় দুই লাখ চাকরি সৃষ্টির সম্ভাবনা রাখে, হুমায়ুন কবীর উল্লেখ করেন।

অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি ও এলডিসি উত্তরণ

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার পাশাপাশি, এলডিসি থেকে উত্তরণে অতিরিক্ত তিন বছরের সময় চাওয়া হয়েছে, যা কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে, হুমায়ুন কবীর বলেন।

অবকাঠামো ও প্রযুক্তি সহযোগিতা

জাপান বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পনগরী গঠন এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; উন্নয়ন সহযোগিতা হিসেবে ৫০০ কোটি ইয়েন (প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

অতিরিক্ত উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর সফর জাপানের জ্বালানি অবকাঠামো ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিয়েছে; LNG টার্মিনাল ও আধুনিক লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, জাপানি ভাষা শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিষয়ে আলোচনাও চলছে। আগামী বছরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাপানের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন।

বার্তা২৪, একাত্তর টিভি, দেশ রূপান্তর ও ঢাকা পোস্টসহ অন্যান্য মিডিয়া একই তথ্য প্রতিবেদন করেছে, যা বাসসের প্রতিবেদনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।