Daily Observer জানায়, মিরপুর ও ঢাকা শহরের অন্যান্য অংশে গার্মেন্ট কর্মীদের মজুরি দাবির প্রতিবাদে পুলিশ ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (DB) কমপক্ষে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশের মতে, গ্রেপ্তারের মধ্যে ১১ জনকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরিকল্পনা ও মিরপুর‑১০-এ সংঘর্ষে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।

DB মিরপুর ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার আবু নাসার রিকাবদার রবিবার বিকেলে গ্রেপ্তারের নিশ্চিতকরণ দেন।

প্রতিবাদের সময় মিরপুরে গার্মেন্ট কর্মীরা রাস্তা বন্ধ করে, পুলিশ গাড়ি জ্বালিয়ে দেয় এবং মিরপুর‑১১ মেট্রো স্টেশন ও পল্লবি স্টেশন বন্ধ হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী তরিক রাহমানও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি বৈঠক করেন, যেখানে হোম মন্ত্রী সালাহুদ্দিন আহমেদ, লেবার মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ইত্যাদি উপস্থিত ছিলেন।

Prothom Alo English রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজীপুরে ৯ জন ও মিরপুরে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে, মোট ২০ জন, যার মধ্যে জ্যাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চট্টগ্রাম লিগের সংগঠক সজমুল ইসলামও রয়েছে।

BSS রিপোর্টে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করার কথা বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই বাঁধা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য।

উভয় রিপোর্টে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ও ব্যক্তিদের পরিচয়ে পার্থক্য রয়েছে, যা নিশ্চিতকরণ প্রয়োজন।