বাসস জানায়, দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রতিটি স্তরে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাত দফা নির্দেশনার আলোকে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কারা অধিদপ্তর। গত আগস্টে জারি করা এসব নির্দেশনার ইতোমধ্যে অন্তত ৯০ শতাংশ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল মেসবাহুল আলম সেলিম।
বাসস ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা নিশ্চিতের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে লকআপের পরবর্তী কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ, ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি, দায়িত্বে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে শূন্য-সহনশীলতা নীতি গ্রহণ এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের পুনঃপ্রশিক্ষণ দেওয়া। কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে লকআপ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হলে অবশ্যই জেলারের লিখিত অনুমোদন নিতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে তা রেজিস্টারে নথিভুক্ত করতে হবে। এছাড়া বৃষ্টির মতো প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রহরীদের নিজ নিজ দায়িত্বে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা টাইমস ও জনকণ্ঠ জানায়, অধিদপ্তরের অপারেশনাল শাখাকে দেশের প্রতিটি কারাগারে দৈনন্দিন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি মনিটরিং নিশ্চিতের পাশাপাশি পরিদর্শনের জন্য ডেপুটি জেলারসহ অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে অভিযুক্ত কারা কর্মীদের আন্তঃকারাগারে বদলি, কাউন্সেলিং বা বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রহরীদের এমন অবহেলা বা অনুপস্থিতি গোপনকারী সুপারভাইজিং কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদপ্তর। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এসব উদ্যোগের সুফল দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কর্নেল সেলিম।






