জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, প্রয়োজনে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মতো লংমার্চ কর্মসূচিতে শামিল হতে একবিন্দু দেরি করা হবে না।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে রাজশাহীর কাটাখালীতে দলের এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন বলেন, পদ্মার পানি শুধু পানি নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্ন। এই অস্তিত্বের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, রাজশাহী থেকে পূর্বপুরুষেরা মাওলানা ভাসানীর ফারাক্কা লংমার্চে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আসছে ডিসেম্বরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই লংমার্চের ঘটনা আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আখতার হোসেন বলেন, ফারাক্কা হওয়ার আগে পদ্মায় যে পরিমাণ পানি আসত, এরপর তা অর্ধেকে নেমে গেছে। ফলে খুলনা অঞ্চলে সমুদ্র থেকে নোনা পানি উজানে চলে আসছে এবং পদ্মার শাখা-উপশাখায় শুষ্ক মৌসুমে পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষিকে ধ্বংস করা এবং দেশের মানুষকে অধিকারবঞ্চিত করার নীলনকশা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। পানির ন্যায্য হিস্যার ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষ ভারতকে একবিন্দু ছাড় দেবে না।
এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য দেন আখতার হোসেন। তিনি বিএনপিকে সমালোচনা করে বলেন, আগের মতো করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে দুরভিসন্ধি করা হয়েছে। বিএনপি যদি মনে করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে কব্জা করে বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে চলে যাবে, সেই সুযোগ দেশের মানুষ দেবে না।
উল্লেখ্য, কাটাখালী পৌর এনসিপি আয়োজিত এই পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এম এ সবুর, সদস্যসচিব নাহিদুল ইসলাম সাজু, মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী প্রমুখ। কাটাখালী পৌর এনসিপির আহ্বায়ক মাসউদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম সজীব পরিচালনা করেন।
এই তথ্যগুলো বার্তা২৪ ও আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে সংকলিত।







