বাসস অনুযায়ী, সরকার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আনসার‑ভিডিপি) ১ লাখ সদস্যকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে।
এই উদ্যোগে ৬জি ওয়েল্ডিং, নির্মাণ, ড্রাইভিং, গার্মেন্টস, হসপিটালিটি, শেফ ট্রেনিং, সৌরবিদ্যুৎ ও সবুজ জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও জাপানি ভাষা সহ চাহিদাসম্পন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর সফিপুরে অবস্থিত আনসার‑ভিডিপি একাডেমি ও দেশের বিভিন্ন জেলা অবকাঠামোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।
সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও মরক্কোসহ চারটি দেশের প্রতিনিধিদল একাডেমির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।
আনসার‑ভিডিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ জানিয়েছেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান কেবলমাত্র যাচাইকৃত বেতন কাঠামো, কর্মপরিবেশ ও সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া হবে এবং কেবল দক্ষ সদস্যদের পাঠানো হবে।
প্রশিক্ষণ সক্ষমতা আধুনিকায়নের জন্য সরকারের ১৮০‑দিনের কর্মসূচির আওতায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এবং জাপানের শীর্ষস্থানীয় কর্মসংস্থান প্রতিষ্ঠান ও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় আনসার‑ভিডিপি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টকে রিক্রুটিং লাইসেন্স অনুমোদন করেছে, যার ফলে প্রথম ধাপে প্রশিক্ষিত নারী ও পুরুষ সদস্যদের বিদেশ প্রেরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিএমইটির ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও আনসার‑ভিডিপির দেশব্যাপী তৃণমূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, এবং ডিজিটাল ডেটাবেজ ও সিআরএম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
বাহিনীর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘প্রান্তিক শক্তি লিমিটেড’কে রিক্রুটিং লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি ও অংশীদারিত্বের আলোচনা চলমান।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, দেশীয় শিল্প‑সেবা খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণ এবং সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা।







