চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের স্বর্ণের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের স্বার্থরক্ষায় নিয়মিত মূল্য নির্ধারণ করে আসছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি।
অন্যদিকে, দেশ রূপান্তর-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্যের ধারাবাহিক উর্ধ্বগতির কারণে সবশেষ টানা ৩ দফায় স্বর্ণের দাম ১২ হাজার ৭২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাজুসের নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।
দেশ রূপান্তর-এর তথ্যমতে, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মূল্যবান এই ধাতু বিক্রি হচ্ছে এই নির্ধারিত দামে। গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাজুস ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর। নতুন মূল্য কাঠামো অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে, ৪ নভেম্বর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস, যেদিন ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য এবং বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৩৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম, যার মধ্যে ৬৫ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৬৭ দফা কমানো হয়েছে।






