টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর গ্রামবাসী শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য স্থায়ী খেলার মাঠের অভাব দূর করতে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করে ৬০ শতাংশ জমি কিনে মাঠ নির্মাণ করেন। এই উদ্যোগের নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় ক্রীড়াব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম ও উদ্যোক্তা এস এম একবাল মাহমুদ। জমির মালিক একবাল হোসেন সুজনও এক শতাংশ জমি দান করেন।
গ্রামবাসীরা ২০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন পরিমাণে চাঁদা তুলে মোট ৩০,৬৮,০০০ টাকা প্রদান করে ৫৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং ২৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জমি হস্তান্তর ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মাঠের উদ্বোধন করেন।
এই সংবাদ ঢাকা পোস্টের রিপোর্টে প্রকাশের পর টাঙ্গাইল জেলার ডিসি ও ইউএনও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রীর পদ) আমিনুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং একই এলাকার বাকি ৬০ শতাংশ জমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ক্রয় করে গ্রামবাসীকে উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, “খেলার মাঠের জন্য বাবুপুর গ্রামের মানুষের এমন স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সরকার ও মন্ত্রণালয় সবসময় এমন ইতিবাচক ও স্বউদ্যোগী কাজকে উৎসাহ দিতে চায়।”
প্রতিমন্ত্রী আগামীকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ডিসি, ইউএনও এবং গ্রাম প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবেন।
ইত্তেফাক, চ্যানেল ২৪ এবং আজকের পত্রিকা সহ অন্যান্য মিডিয়া এই ঘটনাকে একইভাবে রিপোর্ট করেছে; তারা সকলেই গ্রামবাসীর ৬০% জমি ক্রয় এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অতিরিক্ত ৬০% জমি উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্তকে উল্লেখ করেছে।
এই তথ্য ঢাকা পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী।







