রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের কলাবুনিয়া (কৃলাবুনিয়া) এলাকায় ৩১ অক্টোবর বিকেলে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা চলা গুলিবর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এই তথ্য দেশ রূপান্তর অনুসারে, এবং ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে একই ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
সাজেকের এই সংঘাতে যুক্ত রয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ), যা প্রসীত বিকাশ খীসা (ইত্তেফাকের মতে প্রসীত খীসা) নেতৃত্বে, এবং সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (ইত্তেফাকের মতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি, পিসিজেএসএস)। উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে একক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা গুলিবর্ষে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, তবে বর্তমানে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। রাঙামাটি পুলিশ সুপারইন্টেন্ডেন্ট মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানান, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গুলিবর্ষের তথ্য পাওয়া গেছে, তবে কোন গোষ্ঠী গুলি চালিয়েছে তা নিশ্চিত করা যায়নি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে তৎপর রয়েছে।
ইউপিডিএফের দুই ছায়া সংগঠন—সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি এসোসিয়েশন—সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ চালু করেছে। তারা অভিযোগ করে যে জনসংহতি সমিতি সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে গ্রামবাসীকে আতঙ্কিত করেছে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সরানোর দাবি জানিয়ে অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে।
২৬ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজারে উভয় গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি দুই সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়। পাঁচটি দাবির মধ্যে চারটি সমঝোতা হয়েছে, তবে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সরানোর বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি, ফলে সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে।
গত মাসে একই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গুলিবর্ষে শিশুসহ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এই তথ্যও দেশ রূপান্তর থেকে নেওয়া হয়েছে।







