চ্যানেল ২৪ অনুসারে, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকের কলাবুনিয়া এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) সন্তু লারমা গ্রুপের নেতৃত্বে এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) প্রসীত খীসার নেতৃত্বে সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৩১ অক্টোবর শনিবার দুপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।
অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিবেদন
সমকালের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গুলিবর্ষণটি দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে মাচলং এলাকার কলাবুনিয়া ও কজোইছড়ি এলাকায় থেমে থেমে চলেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, তবে কোনো হতাহতের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেছেন, তবে মৃত্যুর কোনো নিশ্চিত তথ্য তিনি জানাতে পারেননি।
বাংলা ট্রিবিউনের অনুসারে, গুলিবর্ষণটি প্রায় দুই ঘণ্টা স্থায়ী ছিল এবং শনিবার দুপুর ১টা থেকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে শুরু হয়। পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে একক আধিপত্যের জন্য এই সংঘর্ষ ঘটেছে।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন সূত্রে গুলিবর্ষণের সূচনাসময়ের পার্থক্য (সামকাল ১২:৩০ বেজে, ট্রিবিউন ১ বেজে) এবং সংঘর্ষের মেয়াদ (সামকাল নির্দিষ্ট নয়, ট্রিবিউন প্রায় দুই ঘণ্টা) রয়েছে। এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে কিছু মিডিয়া পিসিজেএসএস (PCS) এবং কিছু জেএসএস (JSS) নামে উল্লেখ করেছে, যা একই সংগঠনকে নির্দেশ করে।
সমকালের তথ্য অনুযায়ী, গুলিবর্ষণের ফলে স্থানীয় এলাকায় দশম দিন অবরোধ চালু রয়েছে; তবে চ্যানেল ২৪ এই বিষয়টি উল্লেখ করেনি।







