মামলার পটভূমি
তাহসিফ সাউরি, প্রাক্তন বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫:২০ টায় টুরাগ নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। রিভার পুলিশ তার দেহ রজাবার গেট এলাকায় উদ্ধার করে। (BSS)
দপ্তর সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে দেহটি বুধবার বিকেলে পাওয়া গিয়েছিল। (Dhaka Tribune)
দিপের গ্রেপ্তার ও রিম্যান্ড
পুলিশ ইনস্পেক্টর ফিরোজ উদিনের অনুরোধে দপ্তর আদালতে শাহরিয়ার দিপকে ২৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে তার মদহমপুর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। (Dhaka Tribune)
BSS অনুযায়ী দিপকে ২৯ অক্টোবর বাবার রোডে অবস্থিত বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। (BSS)
সপ্তাহান্তে আদালত দিপকে ২:১৫ পিএম-এ উপস্থাপন করে এবং ৩:২৫ পিএম-এ বিচারকক্ষে নিয়ে যায়। (Dhaka Tribune)
আদালত ৪ দিনের রিম্যান্ডের আদেশ দেয়, যদিও প্রাথমিক আবেদন ৭ দিনের রিম্যান্ড চেয়েছিল। (Dhaka Tribune)
রিম্যান্ডের কারণ ও আদালতের সিদ্ধান্ত
আবেদনপত্রে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে: দিপ পালিয়ে যেতে পারে, তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, মামলার মূল রহস্য উন্মোচন প্রয়োজন, এবং অন্য সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা দরকার। (Dhaka Tribune)
আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শোনার পর ৪ দিনের রিম্যান্ডে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। (Dhaka Tribune)
পুলিশ ও আদালতের কার্যক্রম
রাষ্ট্রনিযুক্ত অ্যাটর্নি আজিজুল হক দিদার রিম্যান্ডের পক্ষে যুক্তি দেন, আর শাহরিয়ার দিপের প্রতিনিধিরা মোনিরুল ইসলাম ও মুতা সিম বিল্লাহ বাতিলের অনুরোধ করেন। (Dhaka Tribune)
দপ্তর আদালতে শাহরিয়ার দিপকে ২৮ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৯ অক্টোবর রিভার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। (Dhaka Tribune)
অতিরিক্ত তথ্য
তাহসিফ সাউরি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিপকে ফোন করে বাড়ি থেকে বের হন এবং মটরসাইকেলে চলে যান। বৃহস্পতিবার দিপের মতে তারা এক রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছিলেন। (Dhaka Tribune)
দিপ স্বীকার করেন যে তিনি তাহসিফের সাথে টংগি এলাকার একটি ড্রাগ স্পটে রাতের মধ্যভাগে গিয়েছিলেন, এবং পুলিশ কর্মকর্তারা শুক্রবার ওই এলাকায় দিপের সাথে উপস্থিত ছিলেন। (Dhaka Tribune)
তাহসিফের পিতা, কেএম এনায়েতুল করিম, ২৯ অক্টোবর শুক্রবার রাতে মামলাটি দপ্তর আদালতে দায়ের করেন। BSS অনুযায়ী তিনি আজ (৩১ অক্টোবর) উটরাখান পুলিশ স্টেশনে মামলাটি দায়ের করেন। (BSS & Dhaka Tribune)
দিপ বর্তমানে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আটক রয়েছেন।







