মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজকে সামনে রেখে স্পিন বোলিং সামলানোর ওপর বাড়তি জোর দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের প্রধান ব্যাটাররা স্পিনারদের বিপক্ষে রিভার্স সুইপ ও সুইপ শট খেলে নিজেদের প্রস্তুত করছেন।
অনুশীলনে নাজমুল হোসেন, মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম পালা করে স্পিনারদের মুখোমুখি হন। বোলিংয়ে ছিলেন নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেনসহ বেশ কয়েকজন নেট স্পিনার। তখনকার ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল ও সহকারী কোচ মালিবঙ্গয়ে মাকেতা ব্যাটারদের স্পিন খেলার কৌশল শেখান। আশরাফুল রাতে দায়িত্ব থেকে বাদ পড়ার আগে ওপেনার সাদমানকে দীর্ঘক্ষণ সুইপ অনুশীলনে সহায়তা করেন।
প্রথম আলো জানায়, ঘরের মাঠে স্পিন–সহায়ক উইকেটে খেলার সম্ভাবনা থেকেই ব্যাটারদের এই বাড়তি প্রস্তুতি। তবে কেবল স্পিন সামলানো নয়, টেস্টে ওপেনিং পজিশনের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাবও টিম ম্যানেজমেন্টকে ভাবাচ্ছে। গত চার বছরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র একটি এক শ রানের ওপেনিং জুটি দেখেছে, যা ২০২২ সালে ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে করেছিলেন নাজমুল ও জাকির।
বর্তমানে তানজিদ হাসানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে সাদমান ইসলাম থাকলেও চলতি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে ১০ ইনিংসে সাদমানের গড় ২৪.১১ এবং ফিফটি মাত্র একটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে কোনো অতিরিক্ত বা তৃতীয় ওপেনার রাখা হয়নি। অফফর্মে থাকা সৌম্য সরকারকে জাতীয় লিগে রান করার পরামর্শ দিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং তরুণ ওপেনার মাহফিজুল ইসলামের এনসিএল পারফরম্যান্সে নির্বাচকেরা পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারেননি। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তানজিদ ও সাদমানের ভালো করার ওপরই জোর দিচ্ছে দল।



