বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ছয়টি জেলায় মোট ১,৬৮৯ জন শিশু ও কিশোর নিখোঁজ হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সংখ্যার অর্ধেকের বেশি কিশোর প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছে। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে পরিবারের সঙ্গে মতবিরোধ, দারিদ্র্য, মাদ্রাসার কঠোর নিয়ম, অভিভাবকদের সঙ্গে বিরোধ, সামাজিক মিডিয়া আসক্তি এবং পরকীয়ার ঘটনা।
পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলায় নিখোঁজের হার সবচেয়ে বেশি, যেখানে উপকূলীয় এলাকায় প্রবণতা বেশি।
উদাহরণস্বরূপ, আগৈলঝাড়ায় মার্চে দুই কিশোর প্রেমের টানে নিখোঁজ হয়, এক সপ্তাহ পর উদ্ধার হয়। গৌরনদীতে ১৪ বছরের এক কিশোর ১ অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে রেস্টুরেন্টে কাজ করার সময় উদ্ধার হয়।
বাকেরগঞ্জে তিনজন ১০ম শ্রেণির ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ হয়ে ১ অক্টোবর শ্যামপুরের একটি ম্যাচ ফ্যাক্টরি থেকে উদ্ধার হয়।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মো. জুলফিকার আলী হায়দার উল্লেখ করেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই প্রবণতায় বড় ভূমিকা রাখছে এবং মানব পাচারের সম্ভাবনাও উদ্বেগের কারণ।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক হিংস্র প্রবণতা বেড়েছে এবং পরিবারিক সম্পর্ক জোরদার করা দরকার।






