চ্যানেল ২৪-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানিয়েছেন, নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানি নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টটি কখনোই প্রকাশ করা হবে না।

ঢাকা পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (৪ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী এই কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিসিবির 'প্রিভেনশন অব সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট' পলিসি অনুযায়ী যৌন হয়রানি সংক্রান্ত তদন্তের ম্যাটেরিয়াল ও রিপোর্ট গণমাধ্যম বা পাবলিক ডোমেইনে প্রকাশ করা যাবে না, এটি কনফিডেনশিয়াল ডকুমেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইত্তেফাক-এর খবর অনুযায়ী, বিসিবির তদন্ত প্রতিবেদনে নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। তবে রিপোর্ট প্রকাশ না করার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এটি হাইকোর্টের রায়ের পরিপন্থী হতে পারে এবং ভিকটিমদের পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে এটি প্রকাশ করা যাবে না।

ঢাকা পোস্ট-এর প্রতিবেদনে আইনজীবীর বক্তব্যে উল্লেখ আছে, তদন্তের সময় অনেক ইন্টিমেট ও পার্সোনাল ইনফরমেশন এক্সপোজড হয় এবং অনেক উইটনেস জড়িত থাকেন। ভিকটিমসহ সকল উইটনেসের অধিকার রয়েছে যাতে তারা ডিফেইম বা এক্সপোজড না হন।

আইনজীবী আরও জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তদন্ত রিপোর্টটি প্রণয়ন করা হয়েছিল, তখন পর্যন্ত পশ গাইডলাইনটি বিসিবির কাছে এডপ্ট করা হয়নি। রিপোর্টে পশ গাইডলাইন ইনকর্পোরেট করার সাজেশন দেওয়া হয়েছিল। বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আগস্ট ২০২৬-এ গাইডলাইনটি এডপ্ট করে প্রকাশ করেছে এবং ইন্ডিভিজুয়াল কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড রিড্রেস কমিটি গঠন করেছে।

ঢাকা পোস্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যাশনাল উইমেন্স ক্রিকেট টিমের ক্যাপ্টেন জাহানারা আলম মঞ্জুরুল আলম নামে একজন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগটি মিডিয়ার কাছে পৌঁছানোর পর বিসিবি তাৎক্ষণিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল, যা সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একজন ফরমাল জাস্টিসের নেতৃত্বে ছিল।