আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ৩০তম ইউ এস ট্রেড শো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে স্পিকার উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতি ভোগনির্ভরতার পরিবর্তে বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে। সরকার দেশের বাণিজ্যিক সুবিধা সুরক্ষার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করছে, যা দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন বাজার উন্মুক্ত করবে। একই অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জানান, মার্কিন কোম্পানিগুলো যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে উৎপাদন পরিচালনা করতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রীর সূত্রের বরাতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন জোরদার হলে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচনের নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
এদিকে অন্যান্য গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে স্পিকারের মন্তব্যের আরও কিছু দিক উঠে এসেছে। বাংলা ট্রিবিউন, জনকণ্ঠ, বাসস ও আজকের পত্রিকার তথ্য মতে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রফতানি গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক সময়ের পরিক্রমায় বিকশিত হয়েছে। এছাড়া বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পিকার বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান।







