ইনকিলাবের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাভার ও আশুলিয়ার পোশাক কারখানার শ্রমিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, কারখানা, সড়ক এবং শ্রমিকদের আবাসন এলাকাসহ সর্বত্রে পুলিশ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে। কোনো নিরপরাধ শ্রমিককে হয়রানি করা হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার আশুলিয়ার ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিআইজি বন্ধ থাকা কারখানাগুলো অবিলম্বে খুলে দেওয়ার জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি শ্রমিকদের নির্ভয়ে কর্মস্থলে ফেরার অনুরোধ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার-আশুলিয়াসহ ঢাকা রেঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সমন্বিত প্রচেষ্টা চলছে। বর্তমানে বেশিরভাগ কারখানায় নিরাপত্তা বজায় রয়েছে এবং ডিইপিজেডের সব প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন চালু রয়েছে।
ইনকিলাবের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে গত ১ নভেম্বর একটি মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং গত বুধবার সেটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে সরকার সদ্বিবেচক বলে উল্লেখ করে তিনি পরিবেশ শান্ত রাখার আহ্বান জানান।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আশুলিয়া ও সাভারে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ২৫ থেকে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কেউ শ্রমিক নন। এই ঘটনায় আশুলিয়া ও সাভার থানায় ৮টি মামলা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি পোশাকশিল্পকে রক্ষায় বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি অনুসরণ করবে পুলিশ।
অন্যদিকে, বার্তা২৪-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিইপিজেডে শ্রমিক অসন্তোষের আশঙ্কায় বেপজা কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছে।







