জনকণ্ঠ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান দাবি করেছেন, পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শ্রমিকের ছদ্মবেশে অংশ নিচ্ছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, হেলমেট পরা আন্দোলনকারীদের শারীরিক গঠন ও পোশাক দেখে তাঁদের প্রকৃত শ্রমিক মনে হচ্ছে কি না। তাঁর অভিযোগ, শ্রমিকের ছদ্মবেশে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের লোকজন আন্দোলনে নেমেছেন। ইত্তেফাক ও বার্তা২৪-এর প্রতিবেদনেও রাশেদ খানের এই দাবি ও তাঁর ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
গত কয়েক দিন ধরে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা।
এদিকে, গাজীপুরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে হামলায় আহত তৌফিক মিয়া (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে। রাশেদ খান দাবি করেন, আন্দোলনের সময় একটি পোশাক কারখানার ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে তৌফিক হামলার শিকার হন। তাঁর ভাষ্য, কোনো সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, শ্রমিক পরিচয়ধারী দুর্বৃত্তরা কারখানার গেট ও স্থাপনা ভাঙচুরের চেষ্টা করছিল। এ সময় তৌফিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাঁকে মারধর করা হয়। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
রাশেদ খানের অভিযোগ, শ্রমিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে।







