বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা সহজ ও নিরাপদ করতে বিশেষ হিসাব বা কাস্টডিয়াল অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দিয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ হিসাবের মাধ্যমে মানি চেঞ্জাররা ব্যবসার লেনদেনের পরিমাণ ও ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত সীমার বাইরেও বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখতে পারবেন।
এ হিসাবের মাধ্যমে শুধু নগদ বৈদেশিক মুদ্রার নোট জমা ও উত্তোলন করা যাবে। কোনো ধরনের অর্থ স্থানান্তর, প্রবাসী আয় পাঠানো কিংবা তৃতীয় পক্ষের হিসাবে অর্থ পাঠানোর সুযোগ থাকবে না। এসব হিসাব সুদযুক্ত আমানত হিসাব হিসেবে বিবেচিত হবে না। অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে ব্যাংক চেক বা উত্তোলন স্লিপের সুবিধা দিতে পারবে। তবে ব্যাংকে নিবন্ধিত স্বাক্ষর, ছবি ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে কেবল অনুমোদিত প্রতিনিধির কাছেই অর্থ হস্তান্তর করতে হবে। এ হিসাবের বিপরীতে কোনো ঋণ বা ওভারড্রাফট সুবিধাও দেওয়া যাবে না।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানি চেঞ্জারদের নগদ অর্থ পরিবহনের জন্য বৈধ ক্যাশ-ইন-ট্রানজিট (সিআইটি) বিমা সংরক্ষণ করতে হবে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা পরিবহনের ক্ষেত্রে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সিআইটি সেবা প্রদানকারী অথবা নিরাপত্তা প্রহরীসহ নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে। দিনের শেষভাগে বৈদেশিক মুদ্রা জমা দেওয়ার সুবিধার্থে এডি ব্যাংকগুলোকে নিরাপদ কাউন্টার ও অস্থায়ী ভল্টের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে মানি চেঞ্জারদের হালনাগাদ গ্রাহক পরিচিতি তথ্য সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইস্যু করা লাইসেন্সের বৈধতা যাচাই করতে হবে। প্রতিটি লেনদেনের তারিখ, সময়, মুদ্রার ধরন ও পরিবহনকারীর পরিচয়সহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।







