ইনকিলাবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে দায়ের করা আরও একটি মামলায় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী কেরামত আলীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (০৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ী সদর আমলি আদালতে তাকে হাজির করা হয়। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে ১৫ অক্টোবর রাজবাড়ী সদর থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় শুনানির জন্য তাকে হাজির করা হয়। ওই দিনও আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেন ২০২৭ সালের ১৮ জানুয়ারি।
এদিকে, গোয়ালন্দ আমলি আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসাইনের আদালতে গোয়ালন্দ ঘাট থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাটি ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর দায়ের করা হয়। এ মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ১১৪ ও ৩৪ ধারাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে।
কাজী কেরামত আলীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম আশা বলেন, ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে এ গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আইনজীবী জানান, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজবাড়ী সদর থানায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে উৎস সরকার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বুধবার (০৪ নভেম্বর) তাকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করা হয় এবং আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখান।
উল্লেখ্য, ইত্তেফাক ও চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজী কেরামত আলীর বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে চারটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।







