চট্টগ্রাম ওয়াসা গড় বিল, অতিরিক্ত বিল ও ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ কমাতে সাড়ে ১০ হাজার অচল, নষ্ট ও চুরি হওয়া পানির মিটার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই কাজটি ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে চলছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম হালিশহর বড়পোল এলাকায় মিটার প্রতিস্থাপন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে মিটার‑সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগের খোঁজখবর নেন।

চট্টগ্রাম ওয়াসার তথ্য অনুযায়ী, অচল ও চুরি হওয়া মিটার পরিবর্তনের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর এলটিএম বা সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এরপর ১২ অক্টোবর থেকে মিটার প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার মিটার পরিবর্তন করা হবে।

মিটার নষ্ট বা চুরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবর্তন না হওয়ায় গ্রাহকদের গড় বিল নির্ধারণে নিয়ম অনুযায়ী বিল জারি করতে হয়, যার ফলে অতিরিক্ত বিল ও ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ ওঠে। মিটার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ গ্রাহকভোগান্তি কমাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা গ্রাহকদের সেবা সহজীকরণে বদ্ধপরিকর। যোগদানের পর থেকে গড় বিল, বেশি বিল ও ভুতুড়ে বিল নিয়ে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহকের মিটার নষ্ট, অচল বা চুরি হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

এই তথ্য অনুযায়ী আজকের পত্রিকা, সামকাল, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা ও দেশ রূপান্তর সবই একই তথ্য রিপোর্ট করেছে।