সংস্কার ঠেকানোর প্রকল্প সফল হয়েছে; প্রশ্নটি কীভাবে সাফল্য নিশ্চিত করা হয় এবং এখন কী করা যাবে তা আলোচনা করা হয়েছে (প্রথম আলো).
২০২৬ সালের ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ সরকার দশ শতাধিক সিনিয়র সহকারী সচিব ও অতিরিক্ত সচিব নিয়োগে, এক সপ্তাহের মধ্যে দুই শতাধিক উপসচিব এবং ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৩১ জন যুগ্ম সচিব নিয়োগে, মোটদিনের মধ্যে প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তার पदোন্নতি ঘটানো হয়েছে (প্রথম আলো).
ব্যবহারিকভাবে সচিবালয়ে দলবদ্ধ চাপ ও রাতারাতি প্রচার বদলা হয়েছে; সচিবের নিয়োগে সনাতনীয় যোগ্যতা ও নৈব্যব্যক্তিকতা নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীন পর্যালোচনা ও স্পষ্ট মানদণ্ড দরকার, যা (প্রথম আলো) বলেছে।
ম্যাক্স ওয়েবারের θεωরী অনুযায়ী আমলাতন্ত্রকে আইনি-যৌক্তিক বাহন হিসেবে দেখানো হয়, এবং বাংলাদেশে নিয়ম, সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার করে সফল বাস্তবতা অর্জন করা হয়েছে (প্রথম আলো)।
অর্থনীতিবিদ আকবর আলি খানের মতে, বেতন বৃদ্ধি কেবল পরিসংখ্যানের আকারে, সেবার মান বাড়ানোর সাথে সীমিত, এবং কর্মদক্ষতা বা নাগরিক সন্তুষ্টি মাপকাঠি না থাকায় সমস্যা জড়িত (প্রথম আলো)।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালের কমিশন ১০০ সুপারিশ তোলাম, যার মধ্যে ১৮টি বাস্তবায়নযোগ্য, যার দিকগুলোতে রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই বন্ধ, রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ, সিভিল সার্ভিস আচরণবিধি, প্রশাসনিক ন্যায়পাল এবং স্থায়ী সংস্কার কমিশন রয়েছে (প্রথম আলো)।
পাঁচটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপে ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী পদোন্নতি স্বাধীন পর্যালোচনা প্যানেলে যাচাই, ডিজিটাল ও যাচাইযোগ্য পদোন্নতি, সেবার মান মাপা ড্যাশবোর্ড, সামাজিক মিডিয়া দিয়ে কর্মকর্তা জবাবদিহি, এবং বেতন বৃদ্ধি কর্মদক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (প্রথম আলো)।
অবশেষে, সংস্কারের সাফল্য হলো রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বন্দোবস্তের শক্তিশালী ফল, যাতে জরুরি মুহূর্তে এই আপাত–অনুগত ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে, এবং প্রশাসন নাগরিকের জন্য কাজ করবে না (প্রথম আলো).







