মন্ত্রণালয় অনুমতি ছাড়া ১২ দেশে কর্মী যেতে ছাড়পত্র বন্ধ

বাংলা ট্রিবিউনের মতে, বুধবার (৪ নভেম্বর) ২০২৬ সালে মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-৩ শাখা থেকে অতিরিক্ত সচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার সই করা চিঠি BMET মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়।

চিঠিতে ১২টি দেশের নামের তালিকা দেওয়া হয়: সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, ক্রোয়েশিয়া, ইউক্রেন, লিবিয়া।

Ittihad রিপোর্টে উল্লেখিত ১২টি দেশের লিস্টে কিছু নাম ভিন্নতা দেখা হয়; কঙ্গোকে "কসোভো" এবং বেলারুশকে "বসনিয়া" বলা হয়েছে, যা মূল সোর্সের নামের সাথে সামান্য পার্থক্য প্রমাণিত করে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই ১২ দেশে কর্মী পাঠানোর জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র না দেওয়া হবে, যদি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অনুমোদন না হয়।

এই সিদ্ধান্ত নিতে পার্থক্য রক্ষা, প্রতারণা রোধ এবং অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে করা হয়, যাতে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

রাশিয়া, ইউক্রেন, লিবিয়া, ইরাক ও কঙ্গো যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে; বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ার অভিযোগ এসেছে।

লিবিয়া, ইরাক ও কঙ্গোতে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও মানব পাচারের ঝুঁকি রয়েছে।

সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, ক্রোয়েশিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামকে ইউরোপে মানব পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যেখানে কর্মীকে বেতন না দেওয়া, কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া ও সীমান্ত পার করে অন্য দেশে পাঠানো হয়।

জাপান ক্ষেত্রে পর্যটক বা টিআইটিপি ভিসায় গিয়ে কর্মী নিখোঁজ হওয়া এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের, সরকার এই রুটও নজরদারি আওতায় আনতে চায়।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ১২টি দেশে কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাতে না পারে, যদি মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অনুমোদন না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য BMET-কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।