ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল দেশটিতে নিউক্লিয়ার হামলা চালালে ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। ঢাকায় ইরানি দূতাবাসের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা সফল হওয়ার দিকে এগোচ্ছিল, কিন্তু এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, এই সংঘাতে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন, ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধ্বংস ও ইউরেনিয়াম সরানোর মতো কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি।

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রদূত দাবি করেছেন, সংঘাতে ৪৫০-এর বেশি ইরানি নাগরিক, যাদের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা ও সামরিক কমান্ডাররাও আছেন, নিহত হয়েছেন। তবে বিএসএস-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতাবা খামেনাই গত মার্চ থেকে পাবলিকলি দেখা দেয়নি এবং তিনি লিখিত বার্তায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা করলে যুদ্ধের আকার আরও বড় হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেছেন, হরমুজ প্রণালী যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে বাংলাদেশের জাহাজগুলো যদি ইরানের নির্ধারিত নিরাপদ রুট মেনে চলে এবং ইরানকে অবহিত করে, তবে তারা প্রণালী দিয়ে যেতে পারবে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে কোনো বাংলাদেশি জাহাজ আক্রান্ত হয়নি।