আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, বেরোবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন হালদার, ১৪তম ব্যাচের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী, লালবাগ এলাকায় আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসঙ্কা আওতাব্যবহার করে সড়কে দু’পাশে যান চলাচল বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রফিকুল ইসলাম, তাজহাট থানার ওসি, উপস্থিত হন।

তুহিন রানা, একজন protesting শিক্ষার্থী, বলেছেন যে সুমন হালদার শহর থেকে লালবাগে যান চলাচলে কেবল পড়ে আটকে রেখে দুই ঘণ্টার বেশি সময় নির্যাতন করা হয়, আর লালবাগ ও কেডিসি এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংের তৎপরতা বেড়ে নিরাপত্তা সংকটে ভুগছেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেছেন যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি দাবি সিসিটিভি ক্যামেরাার আওতায় আনার মাঝখানে ক্যাম্পাসের মাঝখানে সিসিটিভি ফুটেজ ক্যাপচার করা হবে, এবং দ্রুত দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঢাকা পোস্টের রিপোর্টেও এই তথ্যগুলো যাচাই করা হয়েছে; সে রিপোর্টের অনুযায়ী, সুমন হালদারকে লালবাগে আটকে রেখে মারধর করা হয়, সিডাবলক দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়, এবং অবরোধের পর সড়ক স্বাভাবিক হয়।

ইনব extras: আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি রোগীকে আগুনে পুড়ে ভালোভাবে জরুরি রোগে চিকিৎসা নিতে হয়, আর বিদ্যুৎব্যবস্থা ১ হাজার ২৫০ কেভিএ ক্ষমতায় চলছে, যা অগ্নিঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, ৪৫ বছরের মোহাম্মেল হক নামের একজন ব্যক্তিকে সপেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন দ্বারা ২ নভেম্বর বনগ্রাম থেকে আটক করা হয়, আর ১৭ বছরের যুবককে ৬১ বছরের আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে আটক করা হয়, পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।