শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বাসস জানায়, রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইলে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘লাইটিং আপ দ্যা ফিউচার’ শীর্ষক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লাসহ গভর্নিং বডির সদস্য এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ের তৈরি দুটি স্মার্ট ক্লাসরুম উপহার হিসেবে স্কুলে হস্তান্তর করেন লিউ হাইশিং। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চীন ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান। সমসাময়িক বাংলা ট্রিবিউন, দেশ রূপান্তর, চ্যানেল ২৪ ও বার্তা২৪-এর খবরেও শিক্ষা সহযোগিতার এই অনুষ্ঠানটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বাসসের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রী জানান যে প্রাথমিক স্তর থেকে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে চীনের এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বেইজিং এগ্রিমেন্টের আওতায় ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ আটটি বিভাগ ও কক্সবাজারের মোট নয়টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চীনা কারিকুলাম, ল্যাব ও শিক্ষক ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের প্রায় ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাইনিজ ভাষা শিক্ষা চালু করা হয়েছে এবং আগামী বছর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্মার্ট ক্লাসরুম ও ল্যাব স্থাপন করা হবে।
পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং শিক্ষার্থীদের সময় সাশ্রয়ে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে যাতে কোনো সেশনজট না হয়।
অনুষ্ঠানে চীনের পক্ষ থেকে মোট ২৮টি ক্যাটাগরিতে ৫০টি ডেস্কটপ কম্পিউটার, ৪৮ সেট টেবিল-চেয়ার, একটি হুয়াওয়ে স্মার্টবোর্ড, চারটি এসি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উপহার ও খেলাধুলার বিভিন্ন সরঞ্জাম দেওয়া হয়।







