দ্য ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বসন্ধ্যায় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীরা ভোটের জন্য চূড়ান্ত জনসভা আয়োজন করেছেন। দলটি আশা করছে, তারা কংগ্রেসের অন্তত একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেবে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করবে। টেক্সাসের জেমস টালারিও ও কানসাসের অ্যাডাম হ্যামিল্টনসহ প্রধান সিনেট প্রার্থীরা এই জনসভায় অংশ নেন।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালের প্রতিফলিত পুকুরে তাঁর শেষ অভিভাষণ দেন। তিনি দাবি করেন, 'আমরা জিতব।' তবে প্রথম আলো ও চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের দিকে এগিয়ে আছে এবং সিনেটেও তাদের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিনিধি পরিষদে জয়লাভ করলে ডেমোক্র্যাটরা ফেডারেল বাজেট ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্তের ক্ষমতা পাবে। তবে সিনেটের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অস্পষ্ট। নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়ানা কলেজের জরিপে দেখা গেছে, সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাতটি আসনে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে, যদিও পাঁচটি আসনে ব্যবধান মার্জিন অব এররের মধ্যে রয়েছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও দেখা দিয়েছে। মিশিগানের কংগ্রেসম্যান হেইলি স্টিভেন্স ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইদকে সমর্থন না করে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন জানিয়েছেন, যা ট্রাম্প প্রশংসা করেছেন।
জনমত জরিপে ট্রাম্পের কর্মকান্ডে ৬০ শতাংশ মানুষের অসন্তোষ দেখা গেছে, বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ ও উচ্চমূল্যের কারণে। প্রথম আলো ও চ্যানেল আই উল্লেখ করেছে, পূর্বের নির্বাচনে জরিপের পূর্বাভাস না মেলার ইতিহাস থাকায় এবারও এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এই নির্বাচনে বিজ্ঞাপনে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এলন মাস্ক রিপাবলিকানদের জয়ের জন্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন। দেশজুড়ে প্রাথমিক ভোটে রেকর্ড ৫৪ মিলিয়ন মানুষ ভোট দিয়েছেন।







