ইত্তেফাক অনুযায়ী, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪.৫ বছরে ৫৮৯ দুর্ঘটনা, ১৫২ মৃত্যু, ৯৫০ আহত হয়েছে।

বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, চালকের অসতর্কতা ও ট্রাফিক আইন অমান্য প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত।

সর্বশেষ সোমবার সিরাজদিখানের নিমতলা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আটজন আহত, তিনজন গুরুতর, চালক পালিয়ে গেছেন।

আগের ২৪ অক্টোবর শ্রীনগরের হাসাড়া এলাকায় বাসে তিনজন নিহত, ১৬ জন আহত; ৩১ আগস্ট নিউ গ্রিন লাইন এক্সপ্রেসে ১৫ জন আহত; ১৫ জুন কামারখোলা রেলওভার ব্রিজে ১৪ জন আহত।

হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিয়নের সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেছেন বেপরোয়া গতি প্রধান কারণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা চলছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি বাসের গতি ৮০ কিমি/ঘণ্টা সীমা নির্ধারণ করেছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকর্মীদের ঝুঁকি নেওয়ার কথা জানিয়েছে।