খাদ্য মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক উপকরণ এবং মানবাধিকারের ভিত্তি। কিন্তু বিশ্বে এখনো কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধা ও অপুষ্টির মুখোমুখি। ইত্তেফাক অনুযায়ী, ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (FAO)-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে পৃথিবীর প্রায় ৬৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার সম্মুখীন হয়েছিল। একই সময়ে প্রায় ২১০ কোটি মানুষ মাঝারি বা গুরুতর খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেনার সামর্থ্য থেকে বঞ্চিত প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ আছেন।

পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তার লক্ষ্য শুধু পরিমাণ নয়, গুণমানও নিশ্চিত করা। উদ্ভাবন—যেমন সেচের পানির সাশ্রয়, উন্নত বীজ ব্যবহার এবং ডিজিটাল বাজার—খাদ্যব্যবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। ইত্তেফাক বলে, প্রযুক্তি যদি ক্ষুদ্র কৃষক ও পরিবেশের ক্ষতি না করে সাধারণ মানুষের উপকারে আসে, তবেই সেটি সফল হবে। বিশ্বব্যাপী ১৫ কোটি ২০ লাখ পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু খর্বাকৃতির সমস্যায় ভুগছেন, যা উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা আরও তুলে ধরে।

বাংলাদেশে চাল প্রধান খাদ্য হলেও ডাল, মাছ, ডিম ও শাকসবজির পাশাপাশি সুষম খাদ্যের প্রয়োজন। ইত্তেফাক মনে করে, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পুষ্টিকর খাবারের সহজলভ্যতা বাড়ালে পুষ্টিহীনতা মোকাবিলা সহজ হবে।