আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন আইনে ভুক্তভোগীর অভিযোগের অপেক্ষা না করে চাঁদাবাজির প্রমাণ পেলেই সরাসরি মামলা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে পুলিশ— এমন কঠোর বিধান রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার। শিগগিরই নতুন আইন হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
গত শনিবার দুপুরে খুলনা মহানগর পুলিশ (কেএমপি) লাইনসে কমিউনিটি পুলিশিংবিষয়ক সুধী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইজিপি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যা হওয়ায় শুধু ঘোষণা দিয়ে চাঁদাবাজি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ অপরাধের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি, সন্ত্রাসী কিংবা ক্ষমতাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জড়িত থাকেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভয়ে অনেকে সাক্ষ্য দিতে চান না, এমনকি থানায় অভিযোগ করতেও সাহস পান না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।
আইজিপি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কাছে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, পুলিশ যেন মামলা দিতে পারে এবং পুলিশই যেন ব্যবস্থা নিতে পারে, জনগণের কমপ্লেইন করার দরকার নেই, ডিজিটাল এভিডেন্সসহ যেকোনো ধরনের এভিডেন্স পেলে যেন সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়— এ বিষয়ে আগামী কিছুদিনের মধ্যে দেখবেন নতুন আইন হচ্ছে।
তবে প্রস্তাবিত আইনের বিস্তারিত কাঠামো, অপরাধের সংজ্ঞা, ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের পদ্ধতি এবং তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি। আইনটি কার্যকর হলে নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানি রোধ এবং অভিযুক্তের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হবে।






