দেশের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার নেমে এসেছে ৫২.১২ শতাংশে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

মোট ১২,৪০,৭৯৮ শিক্ষার্থী ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছে, যার মধ্যে ৬,৪৬,৬৮৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর ৬৯.২৭ শতাংশ মানবিক বিভাগ থেকে, মোট ৩,৫১,৪২৪ জন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি, যা গত বছরের তুলনায় ৯১টি বেশি।

ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে ৩,৮২,২১১ জন অকৃতকার্য হয়েছেন, যার মধ্যে ইংরেজিতে ২,৪৩,৫২৮ জন।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ, যা সর্বনিম্ন।

পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ এক মাসের মধ্যে, ৪,২২,৯০৫ জন পরীক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন।

পাসের হারে ছাত্রীদের হার ৫৬.৩১ শতাংশ, ছাত্রদের ৪৭.৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০,৮৪ পরীক্ষার্থী, যার মধ্যে ২০,৩৬৩ জন ছেলেমেয়ে।

ক্যাডেট কলেজে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬টি কলেজে কমে ৫৪৩ জনে নেমে এসেছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ ৩,২৫০ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৮৮৬ জন।

শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ফলকে সমালোচনা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন উল্লেখ করেছেন যে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন শতভাগ নির্মোহভাবে করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী দেশ রূপান্তর।