বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শনিবার বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও বৈঠক বা আলোচনার পরিকল্পনা নেই এবং সংশ্লিষ্ট খবরকে ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছেন।
তিনি জানান যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাইয়ের কাছে পাঠানো বার্তাটি তেহরান গভীরভাবে পরীক্ষা করেছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনায় রয়েছে।
আরাঘচি জোর দিয়ে বলেন যে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার কোনও পরিকল্পনা নেই এবং এর বিপরীত দাবিগুলো সত্যি নয়।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অনুযায়ী, ভ্যান্সের ভূমিকা কেবল ইরানে চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহে সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা ট্রাম্প অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা এবং হরমুজ প্রণালির নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা চলছে।
ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান বড় পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ৭০০ টিরও বেশি টার্গেট নির্ধারণ করেছে এবং শুধুমাত্র মার্কিন ঘাঁটিতে নয়, বরং মার্কিন কোম্পানিগুলিতেও হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি আলজাজিরার তথ্যের উপর ভিত্তি করে, যেখানে বলা হয়েছে যে ইরানের সুপ্রিম লিডার মোতজতাব খামেনি টার্গেট নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়াও, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা শুরু করলে তেহরানও পাল্টা জবাব দিয়েছে, এবং এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি হয়েছে। ১৮ জুন হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে মতভেদের কারণে বাস্তবায়ন আটকে গেছে।







