বাংলা ট্রিবিউন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার প্রাথমিক কাঠামোতে তেহরানের উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম মজুতি তৃতীয় কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা কমালে, সমঝোতার সাত দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সৌদি আরবের মালিকানাধীন আল আরাবিয়া ইংলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চীনকে সম্ভাব্য নিশ্চয়তাদাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সরাসরি আলোচনার স্থান হিসেবে দোহা নির্ধারিত, ইস্তাম্বুল নয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করলে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা, অবরোধ ও অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ শিথিল করবে। সমঝোতার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি স্বাধীন যাচাইব্যবস্থা এবং চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ আছে।

কাতারের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করে যুদ্ধবিরতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগে কাজ করছে; দলটি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার নেতৃত্বে, এবং ওয়াশিংটনের সমন্বয়ে সফর করছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের একটি চিঠি, যা কাতারের দূতেরা ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ীর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, নতুন সামরিক হামলা রোধে কূটনৈতিক আলোচনার পথ প্রস্তাব করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানকে আলোচনায় আগ্রহী বলে দাবি করেছেন, তবে দেশের অভ্যন্তরীণ আর্থিক সংকটকে বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান সেনা ও পুলিশকে বেতন দিতে পারছে না, এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সময় আছে।