ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে। ৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ২০২৫ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ জুন পর্যন্ত ২০০ কোটি ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারী ট্রাক আমদানি করেছে। ইত্তেফাক অনুযায়ী।

নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য হিসেবে প্রতিষ্ঠানের নামের শুরু ‘এমওডি’, ঠিকানা তেহরানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠার তারিখ ১৯৭৯, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ২০১৩-এ গড়ে উঠেছে। আইআরজিসি ও বোনিয়াদের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। ইত্তেফাক অনুযায়ী।

৯৭% চালানের মূল্য সরাসরি মুদ্রা লেনদেন ছাড়াই, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরেও সম্পন্ন হয়েছে, ফলে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার নজরদারি এড়িয়ে আমদানি চালিয়ে যাওয়া সহজ হয়েছে। ইত্তেফাক অনুযায়ী।

প্রধান আমদানিকারক এমওডি ৩৪৬৪২৮ ২০২৫ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ জুন পর্যন্ত ২৩০ কোটি ডলার সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে, যার মধ্যে রকেটের জ্বালানি উপাদান, বিস্ফোরক ও যন্ত্রাংশ। ২০২৫ জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চীন থেকে ৮৮৬ টন রাসায়নিক পদার্থ আমদানি, সোডিয়াম ক্লোরেট ও পারক্লোরেট। ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল শহিদ রাজায়ি বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটে, ৭০ জন নিহত, ১,২০০ জন আহত। ইত্তেফাক অনুযায়ী।

৪৩৫টি আইভেকো ট্রাক, হাজার হাজার টয়োটা হাইলাক্স ও ল্যান্ড ক্রুজার পিকআপ আমদানি করা হয়েছে, সামরিক বাহিনী এগুলোকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ইত্তেফাক অনুযায়ী।

যুদ্ধ চলাকালীনও আমদানি অব্যাহত ছিল: চীন থেকে ৯৩ টন টাইটানিয়াম, ২৬৮ টন নাইট্রোসেলুলোজ, ২৭৬ টন রাসায়নিক পদার্থ; রাশিয়া থেকে ৭৬ লাখ ডলার বিস্ফোরক সক্রিয় করার যন্ত্র পাঁচটি চালানে; সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার পণ্য, আধুনিক যন্ত্রপাতি। ইত্তেফাক অনুযায়ী।