ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স সম্প্রতি ‘কল হার ড্যাডি’ পডকাস্টে তার ক্যারিয়ারের একটি অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি জানান, একবার নগ্ন দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সেটে এমন কিছু কর্মী উপস্থিত ছিলেন, যাদের সেখানে থাকার কোনো অনুমতি ছিল না। বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই তিনি কঠোর প্রতিবাদ জানান।

নতুন শিল্পীদের সুরক্ষা

লরেন্স মনে করেন, প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি নতুন ও তরুণ শিল্পীদের সুরক্ষার স্বার্থে এমন অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন অভিনেত্রীরা ভয়ে বা ‘কঠিন স্বভাবের’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় নিজের অস্বস্তি মুখ বুজে সহ্য করে থাকেন। তাই এই ধরনের মানসিকতা বদলানোর জন্য সবার সামনে প্রতিবাদ করা দরকার ছিল বলে তিনি মনে করেন।

‘ডাই মাই লাভ’-এ অভিজ্ঞতা

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডাই মাই লাভ’ সিনেমায় সহশিল্পী রবার্ট প্যাটিনসনের সাথে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, ছবিতে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর না থাকলেও প্যাটিনসনের পেশাদার আচরণে তিনি নিরাপদ বোধ করেছিলেন। নগ্নতা নিয়ে ব্যক্তিগত অস্বস্তি না থাকায় এবং পরিচালকের শৈল্পিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি দৃশ্যগুলোতে সম্মতি দিয়েছিলেন।

শুটিং চলাকালীন অন্তঃসত্ত্বা থাকায় শারীরিক গঠন নিয়ে তার বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না। একটি দৃশ্যের ক্লোজআপ শটে ত্বকের স্বাভাবিক ভাঁজ বা সেলুলাইট ডিজিটাল উপায়ে সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি তা নাকচ করে দেন এবং তাঁর শরীর যেমন, সেভাবেই পর্দায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।