খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কথাও দেশের মানুষের স্মরণে রয়েছে। বাসস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় শাসন থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছিল, একইভাবে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার সংহতি দীর্ঘ পনেরো বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে মঞ্জু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রশাসক আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া এবং একদলীয় শাসনের অবসান ঘটান। তিনি রাজনীতিকে প্রান্তিক মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের আদর্শ আজও রাষ্ট্রের পথ দেখায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। কেসিসি মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. হাবিবুল্লাহ দোয়া পরিচালনা করেন।

উল্লেখ্য, দিবসটি পালন উপলক্ষে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্বীপ ও সড়কগুলো পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয়। এছাড়া ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক ও লিনিয়র পার্কে শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়।