আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার আন্তরিক। বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া আলোচনার জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং বোর্ডের প্রথম সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। চার দিনের মাথায় আবারও বোর্ডের সভা বসবে। তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার রাতে শ্রমিক প্রতিনিধিরা মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানালে রোববার দুপুর ১২টার আগেই বোর্ড গঠন করা হয় এবং একই দিন সন্ধ্যায় গেজেট প্রকাশ করা হয়।

শ্রমিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, কলকারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জানান, শ্রমিক নেতাদের মাধ্যমে অথবা মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে দাবি জানাতে হবে। কোনো ধরনের আবেদন বা আলোচনা ছাড়াই রাস্তাঘাট অবরোধ করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব মালিক কারখানা বন্ধ রেখেছেন, তারা যেন সেগুলো খুলে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

বৈঠকে সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলনে নিহত শ্রমিকের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন শ্রমমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে নিহত শ্রমিকের পরিবারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় টানা দুই দিন সড়ক অবরোধের পর তৃতীয় দিনেও অবরোধের চেষ্টা করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এদিকে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দেড় হাজার জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।