ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট টেস্টে তাওহীদ হৃদয় প্রথম হাফসেঞ্চুরি (১০৯ রান) করলেন, যা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের জন্য সান্ত্বনা স্বরূপ।

মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসও শট দিয়ে ক্যাচ শিখিয়ে ফিরলেন, যেখানে মুশফিকুর ৩৪ রানে আউট হওয়ার সময় জোমেল ওয়ারিকানের শর্ট কাভারে ক্যাচ পড়ে।

লিটন দাস ক্রিজে এসে ব্রেন্ডন কিংকে ক্যাচ দিলেন, যার ফলে ব্রেন্ডন ৮ রানে আউট হয়ে বাংলাদেশের ৫ম উইকেট ১৪৮ (বা ১৩৮) রানে হারাল।

দ্বিতীয় দিনের শেষে ৪র্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিম ও হৃদয়ের জুটি ৭৩ রান ধরে, এরপর মুশফিক ৩৪ রানে আউট হন।

মেহেদী হাসান মিরাজ হৃদয়ের সাথে ক্রিজে ছিলেন, আর বাংলাদেশ ২১৬ রানে ক্যারিবীয় দলের পিছিয়ে ছিল।

সপ্তাহান্তে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ৮৮ রানে ব্যাটিং শুরু করেছিল।

অন্যান্য সূত্রে, ইত্তেফাক ও আলোকিত বাংলাদেশে তাওহীদ হৃদয়ের প্রথম সেঞ্চুরির উল্লেখ আছে, যা ঢাকা পোস্টের ১০৯ রানের হাফসেঞ্চুরির সাথে ভিন্ন।

এই প্রতিবেদনগুলির মধ্যে ৫ম উইকেটের স্কোর ১৩৮ বা ১৪৮ রানে হওয়ার বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে।