জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ২৬ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে শিক্ষার্থীরা মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। এই কর্মসূচিতে কুশপুত্তলিকায় ‘পাকিস্তানের দালাল’ ও ‘যুদ্ধাপরাধী দেইল্যা রাজাকার’ লেখা ছিল। (দেশ রূপান্তর)

কর্মসূচির পরিচালক আবু রায়হান কবির রাসেল বলেন, মুক্তিযোদ্ধাকে গোপনে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে এবং রাজাকারদের ছবি প্রদর্শনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে রাজাকারদের ছবি প্রদর্শন এবং পরবর্তী গার্ড অব অনার প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। (দেশ রূপান্তর)

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের জাবি শাখার সংগঠক সোহাগী সামিয়া অভিযোগ করেন যে, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে মানিক পশারীর স্বাভাবিক দাফন ও গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগও উত্থাপন করেন। (দেশ রূপান্তর)

ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই দিনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কুশপুত্তলিকা দাহের সময় ‘পাকিস্তানের দালাল’ ও ‘যুদ্ধাপরাধী দেইল্যা রাজাকার’ লেখা ছিল এবং শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করেন। (ইত্তেফাক)