বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফকমের তথ্য চাওয়ার বিষয়ে মেটা, টিকটক এবং এক্সের বিরুদ্ধে লন্ডনের হাই কোোর্টে শুক্রবার রায় দেওয়া হয়েছে। রায়টি অনলাইন সেফটি অ্যাক্টের অধীনে প্রথম বড় পরীক্ষাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট, যা ২০২৩ সালে প্রণীত, প্ল্যাটফর্মগুলোকে শিশুদের ক্ষতিকর ও অবৈধ কনটেন্ট থেকে রক্ষা করার জন্য কঠোর মানদণ্ড আরোপ করে। ফেব্রুয়ারিতে অফকম এই তিনটি কোম্পানিকে পোস্ট মুছে ফেলা, দৃশ্যমানতা সীমিত করা এবং ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর কনটেন্টের মুখোমুখি হওয়ার সংখ্যা সহ বিস্তারিত মডারেশন পরিসংখ্যান চাওয়ার নোটিশ পাঠায়।

কোম্পানিগুলো নোটিশগুলোকে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রক বোঝা বলে যুক্তি দেয়; এক্স উল্লেখ করে যে অনুরোধ পূরণে কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হতে পারে। তবে হাই কোোর্ট এই যুক্তিগুলো প্রত্যাখ্যান করে এবং তথ্য চাওয়াকে বৈধ বলে রায় দেয়।

রায়ের পর, অফকমের মুখপাত্র তথ্য সংগ্রহকে সংস্থার কাজের মৌলিক অংশ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। মেটা, টিকটক ও এক্সের মন্তব্যের অনুরোধে মেটা ও এক্স তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি, আর টিকটক রায়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেনি।

অফকমের ফি ও সম্ভাব্য জরিমানা নির্ধারণের বিষয়ে মেটার জন্য আলাদা রায় এখনও শূন্যে রয়েছে। এছাড়া, মেটা অফকমের হোয়াটসঅ্যাপের শ্রেণিবিন্যাসকেও চ্যালেঞ্জ করেছে।

ইত্তেফাক এবং চ্যানেল আই সহ অন্যান্য আউটলেটের প্রতিবেদনেও একই রায়ের উল্লেখ আছে; তবে তারা রায়ের নির্দিষ্ট তারিখ হিসেবে ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার) উল্লেখ করেছে, যেখানে মূল সূত্রে শুধুমাত্র ‘শুক্রবার’ বলা হয়েছে।