বাংলা ট্রিবিউন জানায়, বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলো ভবনে ৩ জুন দুপুরে মা ইতি রানী (৩৪) ও তার দুই মেয়ে আরাধ্যা (১২) ও অনুরাধা (৩) এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ২৯ অক্টোবর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ পায়।

তদন্তে জানা যায়, ইতি রানী ও তার স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের মোট ঋণ ৪,৭৭,৭২৩ টাকা, যা পাঁচটি এনজিও থেকে ২,২৭,৭২৩ টাকা, একটি এনজিও থেকে ৮০,০০০ টাকা এবং দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ১,০০,০০০ টাকার সমন্বয়ে গঠিত। তবে ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী মোট ঋণ ৪ লাখ টাকারও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন অনুযায়ী, ইতি রানী ঋণের চাপ ও আর্থিক অনিশ্চয়তায় মানসিকভাবে হতাশ হয়ে ৩ জুন ডাকবাংলোতে কাজ শুরু করেন। পুলিশ জানায়, ৩ জুন দুপুরে তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে ভবনে প্রবেশ করেন, কিন্তু তৃতীয় তলার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে পুলিশ কক্ষগুলোতে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর ৯ জুন দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্তে পুলিশ উল্লেখ করেছে যে, মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়তো ঋণের কারণে সৃষ্ট মানসিক চাপের ফল হতে পারে, তবে হত্যাকাণ্ড বা আত্মহত্যা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পুলিশ শীঘ্রই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মা ইতি রানী দুই মেয়েকে হত্যা করে নিজেই আত্মহত্যা করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা বাংলা ট্রিবিউনের তথ্যের সাথে ভিন্ন। উভয় সূত্রই ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলমান বলে জানায়।