ঢাকা টাইমসের মতে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইতে ব্যবহৃত ছবির বিষয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের পর, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে একাধিক কর্মকর্তা বদলি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬) প্রজ্ঞাপনে প্রথমে নয়জন কর্মকর্তার বদলির কথা জানানো হয়, তবে মূল প্রতিবেদনে মোট দশজনের বদলি উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকা টাইমসের তালিকায় বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের নাম হল: কামরুল হক ভূঞা, হুমায়ুন কবীর, আহসানুল আরেফিন চৌধুরী, আবু হানিফ, রেজাউল করিম, মনির হোসেন মজুমদার, মাহমুদ বিন আমিন, আফসানা আইয়ুব ও এস এম আসাদুজ্জামান। এই সকল কর্মকর্তা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের এবং তাদের নতুন কর্মস্থল হিসেবে বিভিন্ন সরকারি কলেজে পাঠানো হয়েছে।

একই ঘটনার অন্য সংবাদমাধ্যমের (প্রথম আলো, ইত্তেফাক, বাংলা ট্রিবিউন, চ্যানেল ২৪) প্রতিবেদনে নয়জন কর্মকর্তার বদলি উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের নির্দিষ্ট কলেজের নাম দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম আলোতে কামরুল হক ভূঞা পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে, আহসানুল আরেফিন চৌধুরী যশোরের সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে, এবং এস এম আসাদুজ্জামান লালমনিরহাট সরকারি কলেজে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা টাইমসের পাশাপাশি, এই অন্যান্য প্রতিবেদনে বদলির কারণ হিসেবে পাঠ্যবইতে নৌকা, রাজনৈতিক দলের প্রতীক এবং অন্যান্য ছবি ব্যবহারের ওপর বিতর্ক উল্লেখ করা হয়েছে, যা দপ্তরের কাজের পরিবেশকে প্রভাবিত করেছিল। এছাড়া, রবিবার একটি অতিরিক্ত কর্মকর্তা, আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে বদলি করা হয়েছিল, যা মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

বিভিন্ন সূত্রে বদলির সংখ্যা (৯ বনাম ১০) এবং বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের পূর্ণ তালিকা সম্পর্কে পার্থক্য রয়েছে; এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলো ঢাকা টাইমস এবং উল্লেখিত অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ভিত্তিতে সংকলিত।