প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ৩২তম রাউন্ডে সান্তোস ও বাহিয়ার ম্যাচে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর আগে বাহিয়ার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে তর্কের সময় হাত দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
ব্রাজিলের ক্রীড়া বিচারবিষয়ক সর্বোচ্চ আদালতের (এসটিজেডি) শৃঙ্খলা কমিটি আজ শুনানি শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নেইমারকে ‘ভিনি জুনিয়র প্রটোকল’ লঙ্ঘনের দায়ে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে। কমিটির মতে, নেইমারের আচরণ ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ৭ নম্বর বিধান লঙ্ঘন করেছে, যা বর্ণবাদী বা আপত্তিকর মন্তব্য আড়াল করার উদ্দেশ্যে মুখ ঢেকে কথা বলার প্রবণতা ঠেকাতে প্রণীত।
ম্যাচের অফিশিয়াল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, লাল কার্ড দেখার পরও নেইমার শান্ত হননি এবং নেস্তরের মুখোমুখি হতে বাহিয়ার বেঞ্চের দিকে ছুটে যান, যাতে মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ক্রীড়া বিচারবিধির ১৯১ নম্বর অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, যেখানে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না মানাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ধরা হয়।
সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর ফলে এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা ছিল নেইমারের। নতুন দুই ম্যাচের শাস্তির সাথে মিলিয়ে মোট তিন ম্যাচ তিনি খেলতে পারবেন না। সান্তোস কোচ কুকার জানিয়েছেন, নভেম্বরের ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির পরও এক রাউন্ড মাঠের বাইরে থাকতে হবে নেইমারকে, তবে লিগের শেষ তিন রাউন্ডে তাঁকে দলে পাওয়া যাবে। সান্তোস চাইলে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।
চ্যানেল ২৪-এর প্রতিবেদনেও নেইমারের এই অভ্যাসের জন্যই তাঁর বিপদ সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।







