ঢাকা টাইমসের মতে, বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনার পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তার বন্ধু দীপকে হেফাজতে নিয়েছে। তহসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রায় ছয় ঘণ্টা দীপের সঙ্গে কাটিয়েছিলেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উত্তরা, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের গ্যারেজের সামনে তহসিফ ও দীপ একে অপরের সঙ্গে হাত মেলিয়ে আলাদা মোটরসাইকেলে চলে যান। পরে দীপের ডাকে তহসিফ বাড়ি থেকে বের হয়ে তার মোটরসাইকেলের সমস্যার সমাধানের জন্য একটি ওয়ার্কশপে যান, মেরামতের পর বাড়ি ফিরে খাবার খান এবং দীপ আবার চলে যান।
২৮ অক্টোবর বিকাল সাড়ে চারটায় তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসতে পাওয়া যায়। টঙ্গী নদী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রাজাবাড়ী ঘাট থেকে দেহটি উদ্ধার করেন। দেহে পাওয়া হাতঘড়ি ও পকেটের আইফোনের মাধ্যমে তা তহসিফের বলে শনাক্ত করা হয়। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয় এবং বিকেল ৪:৩৫ মিনিটে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দেহটি উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তহসিফের মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি; তার পিতা কে এম এনায়েতুল করিম মৃত্যুর পেছনে হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।







