আজকের পত্রিকা অনুযায়ী, সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অনলাইন টিকিট বিক্রির কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে সমস্যার কথা বলেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের কক্সবazar পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

অনলাইন টিকিট বিক্রির সময় লাখ লাখ মানুষ একসঙ্গে প্রবেশের চেষ্টা করে, ফলে অনেক যাত্রী টিকিট কিনতে পারেন না।

ঈদের সময় প্রতিদিন ৩২ হাজার টিকিট বিক্রি হয়, কিন্তু ৩.২ থেকে ৩.৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেন।

একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারেন, তবে ১০ জন মিলে ৪০টি টিকিট সংগ্রহ করে পরে বেশি দামে বিক্রি করেন।

মন্ত্রীর মতে, টিকিট কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং সফটওয়্যারে নতুন ব্যবস্থা যুক্ত করার কাজ চলছে।

পূর্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে দুই জোড়া ট্রেন চলত; এখন তিন জোড়া, এবং সাত জোড়া পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মহানগর এক্সপ্রেসের কারণে চট্টগ্রামের যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার আশঙ্কা থাকায় কোচের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ আসছে, পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ট্রেন চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেল পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে, তবে স্টেশন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের অভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে; নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে রেললাইনের পাশে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রেল নিরাপত্তার প্রাতিষ্ঠানিক দায় কর্তৃপক্ষের, তবে সমাজ ও মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।